☕ প্রেমার চোখে পিকে – পর্ব ৩: প্রথম কফি, প্রথম ছোঁয়া
ক্যাম্পাসের পাশেই ছোট্ট একটি কফিশপ—নাম "বুকপাতা"।
যেন বইপ্রেমীদের জন্য বানানো। দেয়ালে দেয়ালে কবিতার লাইন, টেবিলের কোণে ছোট ছোট উপন্যাস। সেখানে বসে প্রেমা আর পিকে।
দু’জনেই হালকা নীরব।
হঠাৎ পিকে বলে,
— “তুমি সবসময় এত গম্ভীর হয়ে থাকো কেন? ভয় পাই!”
প্রেমা হেসে ফেলে।
— “তুমি আবার ভয় পাও! যে এত সুন্দর বক্তৃতা দিতে পারে, তার ভয় পাবার কিছু আছে?”
পিকে ঠোঁটে হাসি রেখে বলে,
— “ভাষার সামনে সাহস দেখানো যায়। কিন্তু চোখের সামনে? ওটা অন্য রকম ভয়।”
প্রেমার চোখ একটু নরম হয়ে আসে। সে মনে মনে ভাবে, এই মানুষটা এত সহজভাবে গভীর কথা বলে কীভাবে?
🍂 কিছুটা নীরবতা...
কফি শেষের দিকে। প্রেমা কাপে চুমুক দিচ্ছে, আর পিকে তাকিয়ে আছে সরাসরি তার চোখে।
— “প্রেমা, তোমার নামটায় একটা শান্ত নদীর মতো শব্দ আছে। তুমি কি জানো?”
প্রেমা একটু থমকে যায়।
তারপর আস্তে বলে,
— “পিকে, তুমি এত সহজে এত গভীর কথা বলো কেন?”
— “কারণ আমি চাই কেউ একজন আমার কথার গভীরতা বুঝুক। যেমন তুমি বুঝছো।”
পিকের কথায় প্রেমার বুক কেঁপে ওঠে। এই অনুভব তার কাছে নতুন। এতদিন বইয়ের পাতায় প্রেম খুঁজে বেড়ানো মেয়েটার ভেতরে আজ যেন জীবন্ত প্রেম ঢুকে পড়ে।
💫 কফিশপ থেকে বেরিয়ে...
সন্ধ্যার নরম আলো।
দুজনেই হেঁটে যাচ্ছে রাস্তা ধরে। বাতাসে হালকা ঠান্ডা। হঠাৎ প্রেমার শাড়ির আঁচল উড়ে এসে পিকের কাঁধে লাগে।
পিকে থামিয়ে দেয়, আস্তে করে আঁচলটা সরিয়ে দেয় তার কাঁধ থেকে। সে মুহূর্তে কেউ কিছু বলে না।
কিন্তু দুজনেই বুঝে ফেলে—কিছু একটা বদলে গেছে।
🔜 চলবে...
পরবর্তী পর্বে:
- প্রেমার অতীত নিয়ে রহস্য
- পিকের একটা চিঠি
- সম্পর্কের টানাপোড়েনের শুরু 🥀
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন